20.1 C
Rangpur City
Tuesday, January 31, 2023

উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা নিল পুলিশ : তদন্তে এডিসি-এএসপি

-- বিজ্ঞাপন --

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহারের অভিযোগটি মামলা হিসেবে নতিভুক্ত করেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে ঘটনার ১১ দিন পর অবশেষে মামলা হিসেবে গ্রহণ করলো হাতীবান্ধা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই ঘটনায় ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। ওই কমিটি বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) থেকে তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন ও ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহারের মধ্যে গত ৭ নভেম্বর উপজেলা পরিষদের ভিতরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, মারধর ও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

-- বিজ্ঞাপন --

ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার দাবি করেন, টিআর, কবিখা-কাবিটা কাজের বিষয় জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে তার লোকজন তাকে মারধর করে ও তার অফিসে হামলা চালায়।

উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ২০২০-২১ অর্থ বছরে এডিপি’র নারী ফান্ডে একটি প্রকল্পের হিসাব চাওয়ায় তাকে ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার ও তার স্বামী অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে মারমুখী আচারণ করেন।

-- বিজ্ঞাপন --

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে জেসমিন নাহার বাদী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুনসহ ৮ জনকে আসামি করে হাতীবান্ধা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ১৪ নভেম্বর ১২ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যানও উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।

এ ঘটনার ১০ দিনেও ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহারের অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত না করায় বৃহস্পতিবার আদালতের আশ্রয় নেয় জেসমিন নাহার। ১২ জনকে আসামি করে লালমনিরহাট বিজ্ঞ জুডিসিয়াল আদালত ৪-এ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত ওই অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলা হিসেবে গ্রহণ করতে হাতীবান্ধা থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ পেয়ে রাতেই অভিযোগটি নথিভুক্ত করেন হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

-- বিজ্ঞাপন --

এ দিকে এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সরেজমিনে তদন্ত করেন জেলা প্রশাসক গঠিত তদন্ত কমিটি। ওই কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম হাতীবান্ধায় এসে উপজেলা চেয়ারম্যান, দুই ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহা আলম জানান, আদালতের নির্দেশ পাওয়া মাত্র আমরা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ইতোমধ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। ওই কমিটি বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) থেকে তদন্ত শুরু করেছেন। পুরো বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,602FollowersFollow
854SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles