21.3 C
Rangpur City
Tuesday, December 6, 2022

জমে উঠেছে কান্তজিউ মন্দিরের রাস উৎসব ও মেলা

-- বিজ্ঞাপন --

চারদিকে হই-হুল্লোড়, কানে ভেসে আসছে বাঁশির সুর। বাচ্চাদের বায়না, বড়দের আদর মাখানো শাসন কিংবা ধমক। সঙ্গে আছে ‘এই যে দাদা নিয়ে যান ২০ টাকা ২০ টাকা’, ‘কি লাগবে ভাই’, ‘দাদা এদিকে আসুন’ ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের এমন আহ্বান ও ডাকাডাকি। আবার কোনও দোকান থেকে ভেসে আসছে ক্রেতা-বিক্রেতার দরদামের কথা। এ চিত্র দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির প্রাঙ্গণে রাস উৎসব উপলক্ষে জমে ওঠা মেলার। 

কান্তজিউ মন্দিরের এ রাস উৎসব ও মেলা আয়োজনের বয়স ২৭০ বছর। করোনার কারণে গত দুই বছরে তেমন উৎসব ও আয়োজন ছিল না। তাই এবারের উৎসব ও মেলা শুরু হতে না হতেই উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিকালের পর থেকেই বাড়ছে লোকসমাগম। আর মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্ত-পূণ্যার্থীদের সমাগম তো আছেই।  

-- বিজ্ঞাপন --

ইতিহাস বলছে, প্রতি বছর রাস পূর্ণিমার তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। রাজা প্রাণনাথ ১৭০৪ সালে কান্তজিউ মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। পরে তার পোষ্যপুত্র রামনাথ ১৭৫২ সালে কাজ শেষ করেন। ওই বছর থেকেই মন্দিরকে ঘিরে রাস উৎসব ও মেলা বসছে। এ উৎসব ও মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থানসহ ভারত থেকেও শতশত নারী-পুরুষ ভক্ত-পূণ্যার্থী ও পর্যটকেরা যোগ দেন।

সোমবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাস উৎসব ও মেলা শুরু হয়। মাসব্যাপী এই উৎসব ও মেলা জমতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। দোকানিরা চুড়ি, ফিতা, কানের দুল, গলার চেইন, টিশার্ট, প্যান্ট, কাগজ ও প্লাস্টিকের ফুল, চশমা, পুতুলসহ হরেক রকমের খেলনা, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেব-দেবীর মূর্তি বা প্রতিমা, পূজার প্রয়োজনীয় শংখ, করতাল, ঢোল, কাশা, বাঁশি, প্রদীপ, গাছা, জিলাপি, খুরমা, মণ্ডা-মিঠাই ও মিষ্টান্ন বিক্রি করছেন। কান্তজিউ মন্দিরের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণে দোকানের সারি দেখা যাবে।  

-- বিজ্ঞাপন --

পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন অস্থায়ী দোকানগুলোতে। পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা বেশ উপভোগ করছেন মেলা আয়োজন।  

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,607FollowersFollow
768SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles