28.4 C
Rangpur City
Sunday, January 29, 2023

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন : অপরাধের মাত্রা দেখে শাস্তি দেবে ইসি

-- বিজ্ঞাপন --

গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, অনিয়মের শাস্তি আইন ও বিধিতে যেটা আছে সেটাই হবে। অপরাধের মাত্রা দেখে শাস্তি হবে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতে চান উল্লেখ করে এই কমিশনার বলেন,  সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রচেষ্টা তা অব্যাহত থাকবে। ভোট মনিটরিংয়ের জন্য ৩০০ আসনে সিটিটিভি স্থাপন করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

-- বিজ্ঞাপন --

গাইবান্ধা-৫ আসনের অনিয়ম তদন্তের সর্বশেষ প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে আনিছুর রহমান বলেন, পরশু প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এখনও আমরা দেখিনি। আগেরটি দেখেছি, পড়েছি। মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ হয়েছিল। আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি পরের তদন্তে তারা বেশকিছু অনিয়ম পেয়েছেন। কোনও কোনও কেন্দ্রের সিসিটিভি ডিজকানেক্ট করা হয়েছে। ১৭টি বা কোনও একটি সংখ্যা এরকম হয়েছে বলে আমি শুনেছি।

অধিকতর তদন্ত না করলে বাকি কেন্দ্রগুলোতে যে অনিয়মের কথা আসছে সেটা জানা যেত না বলেও মন্তব্য করেন এই কমিশনার।

-- বিজ্ঞাপন --

আগামী সপ্তাহের মধ্যে অনিয়ম ও ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্ত জানা যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনিয়মে ব্যবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে। কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে কী হবে..। সবাই তো একই অপরাধে অপরাধী হবেন না। অপরাধের মাত্রা ভিন্ন হবে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তও প্রত্যেকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হবে।

দুটো রিপোর্টের প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত হবে উল্লেখ করে আনিছুর রহমান বলেন, প্রথম অংশের জন্য আমরা প্রত্যেকে মতামত দিয়েছি। দ্বিতীয় অংশ দেখে চূড়ান্ত মন্তব্য করা হবে। সবার মন্তব্য সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত আসবে।

-- বিজ্ঞাপন --

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনিয়ম তো হয়েছে। এটা তো কেউ অস্বীকার করছেন না। যারা তদন্ত করছেন তারাও অনিয়মের কথা বলেছেন। আমরাও দেখেছি। অনিয়ম হয়েছে। অনিয়মের শাস্তি আইন ও বিধিতে যেটা আছে সেটাই হবে। অনিয়মে সর্বোচ্চ শাস্তি থাকে আকার সর্বনিম্ন শাস্তিও থাকে। অপরাধের মাত্রা দেখে শাস্তি নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, শাস্তি কী হবে সেটা আইন ও বিধিতে স্পষ্ট করা আছে। কোথাও বিভাগীয় ব্যবস্থা হবে। কোথাও মামলা হবে। ফৌজদারি অপরাধ করলে তো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, আমরা সবগুলোর ক্ষেত্রে সরাসরি শাস্তির আওতায় আনতে পারবো না। কিছু ক্ষেত্রে আমাদের মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে লিখতে হবে। আইনে সেটাই আছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি করার সুযোগ আছে। আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে যেটা আছে সেগুলো আমরা সরাসরিই করবো। এজন্য অন্য কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে কি হবে না এটা কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলে আনিছুর উল্লেখ করেন।

একটি আসনের উপনির্বাচন করতে গিয়ে যে অনিয়ম দেখা গেলে ক্ষেত্রে জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে ক্ষেত্রে কী হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে এই কমিশনার বলেন, এগুলো নিয়ে এখনই শঙ্কিত হওয়ার কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। জাতীয় নির্বাচনের জন্য এখনও যথেষ্ট সময় আছে। নির্বাচনের সময় এগুলো আরও অনেক সেফ পাবে। নির্বাচন কমিশনও তার ক্ষমতা পুরোদমে প্রয়োগ করতে চেষ্টা করবে। আমি মনে করি না যে আমরা পারবো না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা অ্যাপ্লাই করার চেষ্টা করবো। আর আপনারা তো জানেনই তফসিল ঘোষণা হলে পুরোটাই তো নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারে চলে আসে। তফসিলের মধ্যে থেকে আমাদের যেটুকু ক্ষমতা অ্যাপ্লাই করার সেটা করবো। সুষ্ঠু নির্বাচন আমরা করতে চাই। এজন্য যত ধরনের প্রচেষ্টা তা আমরা অব্যাহত রাখবো।

৩০০ আসনে সিসিটিভি সম্ভব কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, টেকনিক্যারি সম্ভব। হিউম্যানলি সম্ভব কি না পরীক্ষা করে দেখছি। তিন/চার লাখ ক্যামেরা লাগানো কঠিন কিছু নয়। কীভাবে আমরা মনিটর করবো সেটার ম্যাকানিজম তো তৈরি করতে হবে। চার লাখ সসিটিটিভি মনিটর করতে হলে কতটা জায়গা লাগবে। লোকবল লাগবে সেটা পরীক্ষা নিরীক্ষার দরকার আছে। এটা পরে দেখা হবে।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,603FollowersFollow
854SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles