23.6 C
Rangpur City
Friday, May 20, 2022
Royalti ad

বিস্ফোরক দ্রব্য সংকটে দিনাজপুরে পাথর উত্তোলন বন্ধ

-- বিজ্ঞাপন --Royalti ad

বিস্ফোরক দ্রব্য (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) সংকটের কারণে দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনির পাথর উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে সময়মত বিস্ফোরক আমদানি করা সম্ভব হয়নি, ফলে এই সংকট দেখা দিয়েছে। শনিবার (১২ মার্চ) সকাল থেকে পাথর উত্তোলন কাজ বন্ধ রেখে খনি শ্রমিকদের সাময়িক ছুটিতে পাঠিয়েছেন খনিটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রাষ্ট কনসোডিয়াম (জিটিসি)।বিস্ফোরক সংকটের বিষয়টি নিশ্চিত করে মধ্যপাড়া গ্রানাইড মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহা-ব্যবস্থাপক (মাইনিং) আবু তালহা ফরাজি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ও সম্প্রতি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে সময়মত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আমদানি করা সম্ভব হয়নি। ফলে এই সংকট দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এই বিস্ফোরক আমদানি করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

-- বিজ্ঞাপন --

জানা যায়, দেশের একমাত্র পাথর খনি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল) বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে ২০০৭ সালের ২৫ মে। প্রথম অবস্থায় খনি থেকে দৈনিক ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টন পাথর উত্তোলন হলেও পরে তা নেমে আসে মাত্র ৫০০ টনে। উৎপাদনে যাওয়ার পর থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত লোকসানের পরিমাণ দাড়ায় শতকোটি টাকার উপরে। এমন অবস্থায় উৎপাদন বাড়াতে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৯২ লাখ মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের বিপরীতে ১৭১.৮৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বেলারুশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি’কে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৩ শিফটে পাথর উত্তোলন করছে প্রায় সাড়ে ৭ শত শ্রমিক। এছাড়াও দেশি-বিদেশি মিলে রয়েছে প্রায় ২০০ জন কর্মকর্তা। প্রতিদিন ৩ শিফটে এখানের পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫০০ মেট্রিক টন। অবশ্য কখনো কখনো লক্ষ্যমাত্রারও বেশি পাথর উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠানটি। লাভের মুখ দেখায় পাথর উত্তোলনের জন্য ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রাস্ট কনসোডিয়াম জিটিসির সঙ্গে আগামী ছয় বছরের পুনরায় চুক্তি করে মধ্যপাড়া গ্রানাইড মাইনিং কোম্পানি লিঃ (মধ্যপাড়া পাথর খনি) কর্তৃপক্ষ। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিকটন পাথর উত্তোলন করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি। কিন্তু পাথর উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক দ্রব্য শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে শনিবার সকাল থেকে খনির পাথর উত্তোলন কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,666FollowersFollow
397SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles