30.6 C
Rangpur City
Monday, September 26, 2022
Royalti ad

ফেসবুকে পরিচয়, গড়ে উঠে প্রেম, বিয়ে; অতঃপর স্ত্রীকে ভারতে পাচার

-- বিজ্ঞাপন --

ফেসবুক থেকে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সোহেলের সাথে প্রেমের প্রেমের সম্পর্কে লবনী আক্তার (ছদ্মনাম)। এরপর তাকেই কৌশলেই ভারতীয় পাচারকারীর হাতে তুলে দেন সোহেল। ভারতে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাকে একাধিকবার পাচারদলের সদস্যরা ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন সেই নারী।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানা পুলিশ গতকাল (শনিবার) দিনভর অভিযান চালিয়ে পাচাকারী চক্রের সদস্য আশরাফুল ইসলাম, মোকছেদুল হক ও চম্পা বেগম নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

-- বিজ্ঞাপন --

রোববার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক। তিনি বলেন, এ ঘটনার মূল হোতা সোহেল মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বেতাপুর গ্রামের কিবরিয়ার পুত্র। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাটগ্রাম থানা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ৩ বছর পূর্বে টিকটক করতে গিয়ে পরিচয় ও প্রেম তাদের। তারপর প্রেমিক সোহেল, নুর নাহারকে (ছদ্মনাম) নিয়ে অবৈধভাবে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে নুর নাহারকে দিয়ে জোর পূর্বক দেহ ব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু নুর নাহার বিষয়টি বুঝতে পেরে সোহেলের সাথে ঝগড়া করেন। 

-- বিজ্ঞাপন --

এ ঘটনার ৮-৯ মাস পর কলকাতা থেকে কৌশলে একই পথে দেশে পালিয়ে আসেন নুর নাহার (ছদ্মনাম)। কিছুদিন পর দেশে আসেন সোহেলও। অনেক বুঝিয়ে তাকে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ আদালতে সোহেল তার নুর নাহারকে (ছদ্মনাম) বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর নুর নাহার গর্ভবতী হন। কিন্তু সোহেল আবারও প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করেন। 

নুর নাহারকে পাচারের জন্য আবারও পাচারকারীদের সাথে যোগাযোগ করে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে পাঠিয়ে দেন স্বামী সোহেল। গত ১৩ মে ভোরে পাচারকারীরা তাকে ওই উপজেলার দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে দেয়। এ সময় নুর নাহারকে ধর্ষণ করেন পাচারকারী চক্রের সদস্য মোকছেদুল। নুর নাহার ভারতে প্রবেশের পর বুঝতে পারেন তার স্বামী তাকে পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। 

-- বিজ্ঞাপন --

১৫ মে রাতে লাভনী কৌশলে দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর এবার আশরাফুল ইসলাম নামে অপর এক পাচারকারী দলের সদস্য তাকে ধর্ষণ দফা-দফা করে। টাকার জন্য লাবনীকে ১৫ মে থেকে আটকিয়ে রাখেন পাচার দলের অন্য সদস্যরা। সেখান থেকেও কৌশলে পালিয়ে পাটগ্রাম থানায় আশ্রয় গ্রহণ করে লাবনী বিস্তারিত জানায়

পাটগ্রাম থানার ওসি ওমর ফারুক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

ঘটনার মুল হোতা প্রেমিক থেকে স্বামী হওয়া সোহেলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,629FollowersFollow
583SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles