24.2 C
Rangpur City
Monday, September 26, 2022
Royalti ad

পেঁয়াজ ইস্যুতে কৃষক-ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ দেখছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

-- বিজ্ঞাপন --

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘পেঁয়াজের দাম নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে এটি মনিটরিং করছে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়লেও সেটা ক্রয়সীমার মধ্যে রয়েছে। যদি অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হতো তাহলে আমাদের কৃষকরা দাম পেতেনা না।’ 

সোমবার (১৬ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ এ তিনি এসব কথা জানান।

-- বিজ্ঞাপন --

মন্ত্রী বলেন, কৃষকরা যেন অন্তত ২৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি ও দেশের মানুষ যেন প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৫ টাকায় কিনতে পারেন সেটি আমরা দেখছি।

বর্ডার হাট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আশা করছি তিন-চারটি প্রস্তাব দেব। মিজোরামে গিয়েও আলোচনা হয়েছে। ছোট রাজ্য হলেও তারা এটি খুব পজিটিভলি দেখছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এটি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে।

-- বিজ্ঞাপন --

তিনি জানান, ইউক্রেন ও ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হওয়ার পর আমরা চেষ্টা করছি আরও অন্তত পাঁচটি গম উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। যেখান থেকে গম আমদানি করা সম্ভব হবে।

টিপু মুনশি বলেন, ‘আমাদের ভোজ্যতেলের ৯০ ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যে কারণে বৈশ্বিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে এর দাম। তেলের দাম বৃদ্ধির বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়া আছে সে প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দাম নির্ধারণ করা হয়। আমদানিকারকদের সঙ্গে বসে বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত প্রতি মাসে একবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মিটিং করেন। সেখান থেকেই তেলের দাম নির্ধারণ হয়।

-- বিজ্ঞাপন --

তিনি আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে আমাদের দেশেও দাম বেড়েছে। আমরা আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করে অনুরোধ করেছিলাম দাম আন্তর্জাতিক বাজারে যাই বাড়ুক না কেন অন্তত রমজান মাসে আমাদের দেশে দাম বাড়ানোর যাবেনা ‘

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গম ও সূর্যমুখী মূলত আমদানি করা হয় ইউক্রেন থেকে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এখন আমদানি বন্ধ রয়েছে যার প্রভাব বাজারে পড়েছে। তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বিভিন্ন সেক্টরে পরে।’

তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বিভিন্ন সমস্যা থাকলেও আমাদের বেশ কিছু অর্জন রয়েছে। চলতি বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি টার্গেট থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে যা আমাদের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশের ওষুধ বিশ্বের ১৫০ টি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।’ 

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,629FollowersFollow
583SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles