26.6 C
Rangpur City
Friday, May 20, 2022
Royalti ad

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লোহার খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কূপ খনন শুরু

-- বিজ্ঞাপন --Royalti ad

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় লোহার খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুল বাকী খান মজলিশ কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করেন।

ভূতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দাবি, নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরিকের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছেন তারা।

-- বিজ্ঞাপন --

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মোস্থফাপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর চেয়ারম্যানপাড়া গ্রামে রাস্তার পাশে ইছামতি নদীর ধার দিয়ে খনিটির অবস্থান চিহ্নিত করেছে ভূতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর।

আমবাড়ি বাজার থেকে খনির কূপ খনন কাজের উদ্বোধন দেখতে এসেছেন মামুনুর রসিদ। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, লোহার খনির কথা শুনেছি, কখনো দেখিনি। খনি পাওয়া গেলে আমাদের এলাকার মানুষের উন্নয় হবে।

-- বিজ্ঞাপন --

খনির স্থানের জমির মালিক ইব্রাহীম আলী মণ্ডল বলেন, আমরা এলাকাবাসী খুবই খুশি। এটি চালু হলে এই এলাকার বেশ কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। খনিটি প্রাথমিক জরিপ আমার ৬৬ শতাংশ জমি থেকেই শুরু হয়েছে। এ জন্য আমি খুব খুশি।

মোস্থফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান প্রামানিক বলেন, লোহার খনি পাওয়া গেলে এই এলাকার বেশ কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এলাকার মানুষের উন্নতি হবে। খনিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এটা আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। খনিতে কাজ করতে যে শ্রমিক নেওয়া হবে, বাহির থেকে না এনে তা যেন স্থানীয় শ্রমিকদের থেকে নেওয়া হয়।

-- বিজ্ঞাপন --Bicon Icon

অধিদপ্তরের পরিচালক আলী আকবর বলেন, ‘নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরিকের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছি আমরা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে আসা হয়েছে। তবে আমাদের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।’

খনির কূপ খননকাজের দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) শহিরুল ইসসলাম।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুল বাকী খান মজলিশ বলেন, ‘বাংলাদেশ খনিসমৃদ্ধ দেশ নয়। এদেশে খনিজ সম্পদের সম্ভাবনাও কম। তবে সম্ভাবনা যাই থাকুক না কেন আমরা আশাবাদী থাকবোই। আমাদের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের কাজই হচ্ছে আশা ও সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করা। তাই এখন শুধু আমাদের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। খননকাজ শেষ করে আমরা বিস্তারিত বলতে পারবো। এরআগে এখানে কী আছে বলা মুশকিল।’

এরআগে ২০২১ সালের ২ এপ্রিল দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে একটি খনির সন্ধানে ড্রিলিং (খনন) কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রায় একমাস কার্যক্রম শেষে তা সমাপ্ত করে চলে যান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে সেখানে কিছু পাওয়া গেছে কি না তা সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারেনি।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,667FollowersFollow
396SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles