33.6 C
Rangpur City
Friday, August 12, 2022
Royalti ad

ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে রাব্বী মিয়া আর নেই

-- বিজ্ঞাপন --

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) আর নেই। শুক্রবার দিবাগত রাত (২৩ জুলাই) আনুমানিক ২টায় (বাংলাদেশ সময়) তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। প্রায় ৯ মাস ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন তার ভাতিজা ফাহাদ রাব্বী সৈকত।

-- বিজ্ঞাপন --

অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া দুরারোগ্য ক্যানসার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ ৯ মাস এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ইন্তেকালের সময় মরহুমের বড় মেয়ে অ্যাডভোকেট ফাহিমা রাব্বী রিটা এবং তাঁর সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালে গাইবান্ধায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন।

-- বিজ্ঞাপন --

শিক্ষাজীবনে ফজলে রাব্বী মিয়া গাইবান্ধা কলেজ থেকে থেকে পাস করে পরে বিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন। পেশায় আইনজীবী ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৫৮ সালে রাজনীতিতে আসেন। সে বছর আইয়ুব খান পাকিস্তানে মার্শাল ল চালু করেছিলেন। সে সময় ফজলে রাব্বীর চাচা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচার মাধ্যমে তিনি মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন। এভাবেই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

-- বিজ্ঞাপন --

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। পরে ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। দশম সংসদ থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ডেপুটি স্পিকার তিন মেয়ে, নাতি–নাতনিসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,637FollowersFollow
499SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles