30.6 C
Rangpur City
Monday, September 26, 2022
Royalti ad

গতিপথ পাল্টে আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’, রেড এলার্ট জারি

-- বিজ্ঞাপন --

গতিপথ পরিবর্তন করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিন্দা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং বর্তমানে ওড়িশা উপকূলের খুব কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। কাকিন্দা উপকূলে জারি করা হয়েছে ১০ নম্বর সতর্কতা। কয়েকটি অঞ্চলে ইতোমধ্যেই রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে এসব অঞ্চল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকবে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

-- বিজ্ঞাপন --

ভারতের আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় অশনি ইতোমধ্যেই বেশ কিছুটা শক্তি হারিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পূর্ব উপকূল বরাবর এগোচ্ছে এবং তা অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূল স্পর্শ করে করে ফের পূর্ব দিকেই অগ্রসর হবে। বিশাখাপত্তনমের সাইক্লোন ওয়ার্নিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, কাকিনাড়া ও বিশাখাপত্তনমের মাঝ বরাবর সমুদ্রপথে অগ্রসর হবে অশনি।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশে রেড অ্যালার্ট বা লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হলেও গত ছয় ঘণ্টায় তা গতিপথ পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূলের খুব কাছ থেকে বয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড়টি।

-- বিজ্ঞাপন --

সংবাদমাধ্যম বলছে, বুধবার সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বদলে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং কাকিনাড়া উপকূল স্পর্শ করার পর তা বিশাখাপত্তনম উপকূল বরাবর উত্তর-পূর্ব অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কাকিনাড়া, গণগাভরম ও ভীমুনিপত্তনম বন্দর এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া বিশাখাপত্তনম, পূর্ব গোদাবরী, কৃষ্ণা ও গুন্টুর জেলার মতো অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ক্ষয়ক্ষতির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। এছাড়া কাঁচা বসতবাড়ি, কাঁচা রাস্তা, কৃষি জমিও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

-- বিজ্ঞাপন --

এর পাশাপাশি অতি ভারী বৃষ্টির কারণে পানি জমতে পারে এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ইতোমধ্যেই বিশাখাপত্তনম বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩০টি বিমান বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার (১১ মে) সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে। নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের বেশ কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারা দেশেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থেকে হচ্ছে ভারি বৃষ্টিও।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে অবস্থানরত সব লাইটার জাহাজকে সদরঘাট ও শাহ আমানত ব্রিজ এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈরি আবহাওয়ায় মোংলা বন্দরে পণ্য বোঝাই ও খালাস কার্যক্রম ব্যাহত। সুন্দরবন সংলগ্ন সাগর-নদীতে মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকা এরইমধ্যে তীরে ফিরে এসেছে।

-- বিজ্ঞাপন --

Related Articles

Stay Connected

82,917FansLike
1,629FollowersFollow
583SubscribersSubscribe
-- বিজ্ঞাপন --

Latest Articles